স্ত্রীর গয়না বন্ধক রেখে কর্মীদের বেতন দিয়েছিলেন, এখন লন্ডনেও অফিস খুলেছেন

স্ত্রীর গয়না বন্ধক রেখে কর্মীদের বেতন দিয়েছিলেন, এখন লন্ডনেও অফিস খুলেছেন

ব্যবসার শুরুটা ছিল কঠিন। মাসের শেষে কর্মীদের বেতন দিতে পারতেন না তিনি। তবু হাল ছাড়েননি। শেষ পর্যন্ত স্ত্রীর গয়না বন্ধক রেখে কর্মীদের বেতন দেন তরুণ উদ্যোক্তা রাশেদুল হক। আজ তাঁর সেই ছোট উদ্যোগই পৌঁছে গেছে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে।

মাত্র পাঁচজন কর্মী নিয়ে শুরু করা তাঁর ডিজিটাল সল্যুশন প্রতিষ্ঠানটি এখন দেশের অন্যতম সফল স্টার্টআপে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় বাজারে সফলতা অর্জনের পর সম্প্রতি লন্ডনে প্রতিষ্ঠানটির প্রথম বিদেশি অফিস উদ্বোধন করা হয়েছে।

রাশেদুল হক বলেন, “প্রথম দিকে যখন ব্যবসা টিকিয়ে রাখাই কঠিন হয়ে গিয়েছিল, তখন স্ত্রী-ই আমাকে ভরসা দিয়েছিলেন। বলেছিলেন—‘তুমি চেষ্টা চালিয়ে যাও, এই গয়নাগুলো একদিন আবার ফেরত আসবে।’ সেই কথাই ছিল আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।”

প্রথম দিকে ব্যর্থতা, ঋণ আর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কেটেছে। কিন্তু ধৈর্য, কঠোর পরিশ্রম এবং আত্মবিশ্বাসের জোরে ধীরে ধীরে তিনি ঘুরে দাঁড়ান। এখন তাঁর কোম্পানিতে দুই শতাধিক কর্মী কাজ করছেন এবং সেবা দিচ্ছে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের ক্লায়েন্টদের।

দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য রাশেদুল হক এখন এক অনুপ্রেরণার নাম। তাঁর ভাষায়, “ব্যর্থতা কখনো শেষ নয়, বরং শেখার নতুন শুরু। বিশ্বাস আর অধ্যবসায় থাকলে একদিন সফলতা আসবেই।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *